sraboner shes prohore-short story


শ্রাবণের শেষ প্রহরে~

জারিন তাসনীম রুকু,,
   
সকাল থেকেই বৃষ্টি পড়ছে।জোরে না পড়লেও একরকম ভাবে পড়েই চলেছে।চারপাশটা কেমন এক নিস্তব্ধতার মাঝে আছে।সামিহা রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনতে শুনতে সংসার এর টুকিটাকি কাজ গুলো করছে।ওদিকে ৮ টায় তৌফিক সাহেব অফিসে যাবে।বেসরকারী চাকরী করেন তৌফিক সাহেব।বৃষ্টির দিন গুলো ঢাকা শহরের মানুষগুলো আলসেমিতেই কাটিয়ে দেয়।অফিস,স্কুল বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে বেলা পার করে দেয়। হাতেগোনা কিছু শ্রেণীর মানুষ এর মাঝেও বেরিয়ে পড়ে।তৈাফিক সাহেবও এর ব্যাতিক্রম নয়।
যেকোন অবস্থাতেই অফিসে ছুটে যেতে হয় তাকে আর ফিরতে রাত ১০ টা ১১ টা তো বেজেই যায় আর সামিহা সকালে তৌফিক সাহেবের যাওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যাস্ত থাকলেও তারপর আর কোনো ব্যাস্ততা থাকে না তার।সারাদিন পেপার,বই, গান এগুলার সাথে সময় পার করে দেয়।
আজও তার ব্যাতিক্রম নয়।তৌফিক সাহেব অফিসের জন্যে বের হবে।পেছন থেকে সামিহা বললো,
ছাতাটা সঙ্গে নিয়ে যাও বাইরে বৃষ্টি পড়ছে।
সকাল বেলা ব্যাস্ততার মাঝে তৌফিক সাহেবের মুড  একটুও ভালো থাকে না। কিছু না বলেই তৌফিক ঘরে ঢুকে যায়।
ঠিক ৫ মিনিট পর ছাতা,রেইন কোর্ট,গাম বুট পড়ে বেরিয়ে আসে তৌফিক।
হয়তো তৌফিক আগের মত থাকলে সামিহা ও আগের মত হাসতো ওকে খুব জ্বালাতো।কিন্তু সময় বদলেছে মানুষটা ব্যাস্ততায় নিজেই অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।তাই আজ আর তেমনটা হলো না গম্ভীর ভাবে বেরিয়ে  পড়লো তৌফিক সাহেব।প্রতিদিনের মত সামিহাও বারান্দার গ্রিলটা ধরে দাড়িয়ে আছে হয়তো আজ তৌফিক তাকাবে হাত নাড়িয়ে খোদা হাফেজ বলে চলে যাবে।আজকের দিনটা তো অন্যদিন এর মত নয় কিন্তু না হয়তো আজও ব্যাস্ততার কারনে পেছনে না তাকিয়েই চলে গেলো তৌফিক।
প্রায় চারবছর আগে শ্রাবনেই ওদের দেখা হয়। খুব সম্ভবত শ্রাবনের প্রথম প্রহরে।খুব বৃষ্টি পড়ছিলো সেদিন।ওদের দুজনের বাসার দূরত্ব তেমন একটা ছিলো না প্রায় কাছাকাছি।সামিহা তখন ঐ এলাকায় নতুন এসেছিলো। বৃষ্টির নেশায় ছাদে গিয়ে ভিজছিলো সামিহা।পাশের ছাদেই ছিলো তৌফিক।সামিয়াকে দেখে প্রশ্ন করেছিলো,
অ্যাই মেয়ে শোনো,এই বাসায় কী তোমরা নতুন?

জ্বী নতুন।

কথাটা বলে পেছন ফিরতেই ওর লম্বাচুল গুলো পিঠ বেয়ে নিচে নেমে গিয়েছিলো।সামিহা যেন কোনো এক রহস্য।সত্যি কেমন একটা রহস্য ছিলো তৌফিক এর জীবনে।সামিহার কন্ঠটা খুব বাচ্চা বাচ্চা। সেদিনের পর থেকে বিকেলে ছাদে উঠলে প্রায় দেখা হতো ওদের। সামিহা বিকেল বেলা বাচ্চাদের সাথে খেলতো।বাচ্চাদের সাথে খেললে মনেই হতো না মেয়েটা একটা কলেজের ফার্স্ট ইয়ার এর স্টুডেন্ট।
রাতে সামিহা মাঝে মাঝে চন্দ্র দর্শনে ছাদে উঠলে দেখা হয়ে যেত। এমনই এক চন্দ্রদর্শনের রাতে  ওদের বিস্তর আলাপ হয়
তৌফিক পেছন থেকে ডেকে বলে,
অ্যাই পিচ্চি শোনো।

সামিহা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,
আমাকে আপনার পিচ্চি মনে হয়?

তৌফিক খুব সাধারণ ভঙ্গীতে বললো,
আলাদা ভাবে মনে হওয়ার কি আছে!আমার বিশ্বাস তুমি পিচ্চি।

ইশ বললেই হলো,আমি ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি।

আচ্ছা কথা হচ্ছে কথা সেটা না কথা হচ্ছে যে তুমি সিহাব এর কাছে পড়?

জ্বী,কেন?

সিহাব বলছিল তোমার নাকি কোয়ান্টাম সংখ্যায়  সমস্যা!
জ্বী।
আমি কেমিস্ট্রি পড়াই ও তোমাকে কোয়ান্টাম সংখ্যা বুঝিয়ে দিতে বলেছে।
ওহা আচ্ছা। বলেন কখন আসবো?

কোথায় আসবা আবার? এখন বেসিক শিখায়ে দিবো কাল কোচিং এ কিছুটা করাবো শেষ হয়ে যাবে।

শুরু হলো কেমিস্ট্রি..!
পশ্চিম আকাশে সূর্য যখন প্রায় ডুবু ডুবু তখন বেসিক এর  শেষটা টেনে দিলো তৌফিক।
আকাশটা লাল আভায় সিক্ত হয়েছিলো।মুহূর্তেই কালো মেঘে ছেয়ে গেলো সবটা। পাখিগুলো এদিক ওদিক ঘুরছিলো। তৌফিক বললো,
রঙ বদলের একেক রঙে আকাশটা ভরে উঠেছে।

সামিহা বললো,
 ভাবতে কি অদ্ভুত লাগে ভোর আর সন্ধ্যা এই দুই বেলায় ঠিক একই রকম ভাবে রঙ বদল হয়।এক বেলায় পাখিরা বাসা ছেড়ে চলে যায় তো আরেক বেলা বাসায় ফিরে আসে।এক বার দিন শেষে রাত হয় তো আরেক বার রাত শেষে দিন।

আর কিছুক্ষনের মাঝে মেঘ বৃষ্টির হাত ছেড়ে দিবে আর মাটিতে বৃষ্টি গুলো আছড়ে পড়বে।একেক রকমের সুর, ছন্দের ছন্দ পতন।
সামিহা বললো,
আচ্ছা আমি যাই,আল্লাহ হাফেজ।
 
আল্লাহ্ হাফেজ। 

বৃষ্টি হয় সেদিন, সারাটা রাত বৃষ্টি হয়।সামিহার তৌফিক এর বলা কথা গুলো বৃষ্টির ছন্দ পতনে মনে হতে থাকে। ভাবতে থাকে,
“সত্যি তো কখন ও খেয়াল করিনি বৃষ্টির ছন্দ।টিনের ওপর পড়া বৃষ্টির শব্দ,রাস্তায় ছাতা ধরা পথিক এর ছাতার ওপর পড়া বৃষ্টির শব্দ। ছন্দটা  অসাধারন।এলোমেলো ছন্দ কীভাবে একটা ছন্দিত ছন্দ গড়ে তুলেছে!

তার পরের দিন সকালে সামিহা ছাদ এ উঠে। এটা সামিহার সেদিন সকালের অভ্যাস ছিলো না, ছিলো প্রতি সকালের অভ্যাস।ছাদে উঠে চুল গুলোকে খোপা করতে করতে সুর তুললো সামিহা,
'দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার....'
 

'ছাদের ওপারে.....'

কন্ঠ শুনে পেছনে তাকালো সামিহা,
আপনি এত সকালে?

তৌফিক অপলক দৃষ্টিতে সামিহার দিকে তাকিয়ে ভাবছে,
মেয়েটাকে বড্ড সুন্দর লাগছে। এলোমেলো বেশে কাওকে ঠিক এতটা এলোমেলো সুন্দর লাগতে পারে?আচ্ছা সব মেয়েকে বুঝি সকাল বেলা এলোমেলো ভাবে এলোমেলো সুন্দর লাগে?এত স্নিগ্ধ মনে হয়? নাকি শুধু এই মেয়টাকেই লাগছে!
এই যে ভাইয়া কই হারায়ে গেলেন!

তৌফিক আচমকা চমকে উঠে বললো
না কোথাও না মানে আর কী ওই আমি প্রতি সকালেই ছাদে উঠি

 ওহ আচ্ছা।

কোচিং এ ক্লাস শেষে থেকো।

সেদিন কোচিং এ ওদের আবার দেখা।  এক্সট্রা ক্লাস করতে যেয়ে সন্ধ্যা হয়ে, গেছিলো প্রায়।
তৌফিক বললো,
একই তো পথ,চলো একসাথে যাই।

আচ্ছা চলেন।
একটা কথা বলার ছিলো...

কী বলেন?

তোমার দিকে একটা ছেলে তাকায়ে থাকে খেয়াল করেছো?

না তো।

আমার ধারনা তোমাকে ভালোবাসে।হুমায়ুন আহমেদ বলেছিলেন,"মেয়েরা অসীম ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়। তারা ছেলেদের ভালবাসার নজর এবং খারাপ নজর দুটোই বুঝতে পারে।"
তুমি টের পাও নি?

না তো।

তুমি মনে হয় মেয়ে না।

জ্বী?

মানে তুমি তো ছোট একারনে বুঝো নি।
 
বৃষ্টি পড়ছে।তৌফিক বললো,
অ্যাই পিচ্চি বৃষ্টি পড়ছে চলো ওদিক টাতে দাড়াবা।একটু পর বৃষ্টি কমলে এগোনো যাবে। 
ভাইয়া থাক না।চলেন বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যাই।

ইস্ শখ কত।পরে জ্বর হইলে স্টুডেন্টকে বৃষ্টি তে ভেজানোর দায়ে কারাবদ্ধ হতে হবে আমার।চলো....

দাড়িয়ে পড়লো দুজন…সামিহা প্রচন্ড রাগে গাক ফুলিয়ে দাড়িয়ে আছে।
তৌফিক বললো,
আচ্ছা আর রাগ করতে হবে না বৃষ্টিটা একটু কমুক তারপর যাবো।

৫ মিনিট পর,সামিহা বললো,
কমে গেছে,এবার চলুন...

রাজপথে নেমে পড়লো দুজন..
সিক্ত রাস্তায় সোডিয়ামের আলোয় আবছা ২ টি ছায়া।

সামিহা প্রশ্ন করলো,
আজ বাংলা মাসের কত তারিখ জানেন?

আপনার সুবিধার্তে জানাতে চাই ইংরেজী, বাংলা কোনোটাই জানি না।কত তারিখ?

১৬ শ্রাবণ...। আর কয়েকটা দিন বাকি শ্রাবণ শেষ হতে।

বাসা চলে এসেছে।তৌফিক বললো
আচ্ছা যাও তাহলে আল্লাহ্ হাফেজ।

আল্লাহ হাফেজ।

সামিহা ওর বাসার গেইটের সামনে ঢুকেই যাচ্ছিলো,এর মাঝেই তৌফিক পেছন থেকে ডেকে বললো,
 অ্যাই পিচ্চি শোনো, কোয়ান্টাম এর অঙ্কগুলো করে রাখবা আর ঐ যে বললাম তোমার দিকে তাকায়ে থাকে একজন। আজকের সিক্ত 
রাজপথের ছায়া দুটোর মাঝেই  মানুষটা ছিলো।ওই আর কী ভালোবাসে তোমায়।তোমাকে বৃষ্টি নামে ডাকতে চাই আর বৃষ্টির হাত ধরে শ্রাবণের বৃষ্টির ছন্দে ছন্দিত হয়ে ভিজতে চাই।সুযোগ দিলে গ্লাডিওলাস দিয়ে বলতে চাই ভালোবাসি আর স্নিগ্ধ গ্লাডিওলাস কে লাল করার দায়িত্ব তোমায় দিতে চাই।গেলাম।
ঝড়ের গতিতে বলে চলে গেলো তৌফিক।
সামিহার সবটা গুলিয়ে যাচ্ছিলো।শান্ত হয়ে ভাবতে ভাবতে যখন আবিষ্কার করে ফেললো তারপর প্রায় ১৪ দিন মত দেখা করেনি তৌফিক এর সাথে।
দূরত্বের সাথে গুরুত্বের সম্পর্ক সমানুপাতিক।দুরত্ব বাড়লে গুরুত্ব বাড়ে..! বুঝতে পারলো কোন সূএটা প্রমান না করে নিউটন সাহেব প্রস্থান করেছেন।

১৪ দিনের দিনে বিকেল বেলা ছাদে উঠলো সামিহা। তৌফিকও ছাদেই ছিলো।তৌফিককে উদ্দেশ্য করে বললো,
এই যে শুনুন আমি বৃষ্টি হবো বৃষ্টিতে রহমান সাহেবের সাথে ভেজার জন্য আর বাকি রইলো গ্লডিওলাস।ওগুলোকে সিঁদুর লাল করার দায়িত্বটা আমার রহমান সাহেব কে বলে দিবেন।
দৌড়ে চলে গেলো মেয়েটা।

ঝড়ের বেগের ন্যায় প্রশ্নের উত্তর পেয়ে,তৌফিক বেশ কিছুক্ষন গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো।নিজেকে উদ্ধার করেই শুরু হয় প্রণয় তারপর হাত ধরে এত্তটা পথ চলা।আর তারপর বিয়ে...

আসলে একারনেই তৌফিকের দিকে তাকিয়ে ছিলো সামিহার কিন্তু আফসোস  আজও রহমান  সাহেবের তারিখ টা মনে নেই।অন্যদিন এর মতই কাটলো সামিহার আজকের দিনটা। আগের বছরও এভাবেই কেটেছিলো।তবে গতবারের মত এবারো  সামিহা সাজলো বিকেল বেলা।
ওদিকে তৌফিক অফিসে যেয়ে দেখে বৃষ্টিতে কেউ ই আসেনি।করিডোর দাড়িয়ে বৃষ্টি দেখছে তৌফিক।আকাশে এখনো মেঘ জমে আছে।মোবাইলটা বের করে নিউজফিড স্ক্রল করতে যেয়ে খেয়াল করলো  আজ ৩১ শে শ্রাবণ।উড়ন্ত কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে তৌফিকের যেগুলো ব্যাস্ততায় চাপা পড়ে ছিলো এতদিন।ভাবতে লাগলো বাচ্চা মেয়েটা কত চাপা হয়ে গেছে আগে কিছু মনে না থাকলে তুলকালাম লাগিয়ে দিতো আর আজ…!আসলে  দোষটা আমার। ওর মাঝের মানুষটাকে আমি শেষ করে ফেলেছি।টেবিল থেকে গাড়ির চাবি টা নিয়ে বেরিয়ে পড়লো।
 কলিংবেল বাজিয়ে দাড়িয়ে আছে তৌফিক সাহেব।
দরজা খুলতেই সামিহা দেখে কাকভেজা হয়ে ভিজে আছে তৌফিক।
সামিহা বললো,
তৌফিক!তুমি এখন!

সিদুঁর রঙ এ রাঙায়িত শাড়ি,চোখে কাজল,কপালে লাল টিপ,দু হাতে বিশেক কাচের চুরি,আলতা রাঙা হাত-পা....!অপূর্ব লাগছে সামিহাকে। সব মেয়েকেই বুঝি লাল শাড়ি পরলে এমন লাগে? না কী শুধু আমার বৌটাকেই লাগছে।
সামিহা তৌফিককে আচমকা চমকে দিয়ে বললো,
এই যে কই হারায়ে গেলা?

না এমনি কেউ ছিলো না আজ তাই চলে এলাম।
সামিহার হাতটা ধরে ছাদে নিয়ে গেলো।দুজন মিলে ছাদে দাড়িয়ে আছে।অন্ধকার হয়ে আছে চারপাশ টা।বৃষ্টি পড়ছে।
তৌফিক বললো,
সামিহা একটা কথা বলার ছিলো। 

বলো...
একটা ছেলে তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারছে না।মাত্রাতিরিক্ত সুন্দর কাগছে তোমাকে।অন্ধকার থেকে আলোতে গেলে হঠাৎ এতটা প্রেসার পড়ে যে আলোর ঝলকানিতে তাকানো যায় না তেমন টাই হয়েছে তার সাথে।খেয়াল না করে হঠাৎ করে আজ তাকিয়ে ফেলেছে।

খিলখিল করে হাসতে থাকে মেয়েটা সেদিন কথা গুলো গুলিয়ে ফেললেও  আজ গুলিয়ে ফেলেনি একদম।হাসতে হাসতে বললো,
আজকের তারিখটা আপনার মনে পড়েছে অবশেষে?

ওই আর কী ক্যালেন্ডার দেখতে যেয়ে সেই শ্রাবনের কথা মনে পরলো।সাথে মনে পরলো বৃষ্টি নামের  বাচ্চাটার কথা।সব স্মৃতি গুলো মনে করে ব্যাস্ততা টাকে বড্ড তুচ্ছ মনে হচ্ছিলো।একারনেই তো আজ বৃষ্টির সাথে বৃষ্টি বিলাস এ মেতে আছি।

সামিহা বললো,
রহমান সাহেব,আমি কিন্তু বাচ্চা নই রহমান সাহেবের সম্পূর্ণতার অধের্ক টা আমি।
 ভালোবাসায় ভরে উঠে ওদের চারপাশটা।অন্ধকার ঘনিয়ে আসে।
তৌফিক বলে,
এতটা অন্ধকার আজ।  আজ জ্যেৎস্না নয় তবু আজ যেন পৃথিবীতে সব সৌন্দর্য উপচে পড়ছে।

অমাবস্যা, মেঘে ঢাকা রাত এগুলোর সৌন্দর্য আমাদের দেখার চোখটা অতসহজে বুঝতে পারে না আর তাছাড়া মেঘেরা বৃষ্টির হাত ছেড়ে দিয়েছে,বৃষ্টিরা মাটিতে আছড়ে পড়ছে রহমান সাহেব।

আর রহমান সাহেব শ্রাবণের শেষ প্রহরে তার বৃষ্টির সাথে বৃষ্টিতে ভিজছে।চলো কোথাও ঘুরে আসি 

কোথায়?

আসো তো।

সেই রাজপথটাতে চলে গেলো দুজন।রাস্তাটা বড্ড  ফাঁকা পড়ে আছে।হাঁটতে শুরু করলো  স্মৃতি গুলোকে মনে করতে করতে।ভোর হয়ে যাচ্ছে আজ ওদের কোনো তাড়া নেই শ্রাবন শেষের পথে বৃষ্টির আজ কোনো ক্লান্তি নেই।হয়তো শ্রাবণের শেষ প্রহরের বৃষ্টির ফোঁটা গুলো শরতের প্রথম সকালের পানে চেয়ে আছে…
please Follow & Share 

world books collect


0/Post a Comment/Comments

Please do not enter any spam link in the comment box.

Stay connected

FACEBOOK- Fans Like
TWITTER- Followers Follow
YOUTUBE- Subscribers Subscribe

Subscribe us

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner